স্বপ্ন আমরা সকলেই স্বপ্ন দেখি তাই না, কিন্ত সব সময় স্বপ্ন বাস্তবে রুপান্তরিত হয় না। কেউ ভাবি ডাক্তার হব,কেউ ইঞ্জিনিয়ার,কেউ বিজ্ঞানী কেউ বা সরকারি বড় কোন কর্মকর্তা। ধরুন কিছুই হওয়া হল না তাই বলে কি জীবন থেমে থাকবে থাকবে না। তাই পরবর্তীতে চিন্তা করি কি করব ? পরবর্তীতে চিন্তা করতে হবে কোন কাজটা করতে আপনার ভাল লাগে যার জন্য আপনি সর্বোচ্চ সময় ব্যায় করতে পারবেন, জীবনের যত বাধা বিপত্তিই আসুক না কেন আপনি তার জন্য প্রস্তুত থাকতে রাজি ।সেই কাজটাই আপনাকে বেচে নিতে হবে। আর তার জন্য লেগে থাকতে হবে জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত। স্বপ্ন দেখতে হবে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যেতে হবে। এ পি জে আবুল কালাম আজাদ বলেছেন-" স্বপ্ন বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তোমাকে স্বপ্ন দেখতে হবে। আর স্বপ্ন সেটা নয় যা তুমি ঘুমিয়ে দেখ স্বপ্ন সেটাই যেটা পূরনের প্রত্যাশা তোমাকে ঘুমাতে দেয় না।"
পোস্টগুলি
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
“ভয়কে জয়” আমরা যখন কোন কিছু করতে চাই তখন আমাদের নেতিবাচক চিন্তা –ভাবনা আমাদেরকে ঘিরে বসে। আমরা কি করতে চাই তার চেয়েও যেন কি চাই না বা আমার দ্বারা হবে না এই চিন্তা-ভাবনা আমদেরকে বেশি প্রভাব ফেলে। ধরুন, আমাদের কোন প্রিয় মানুষের জন্মদিন অথবা কোন একটা বিশেষ দিন সেই দিনে আমরা চাই আমাদের প্রিয় মানুষকে কোন কিছু উপহার দিব ।তখন আমরা চিন্তা করি সে কি এটা পছন্দ করবে ,মনে হয় পছন্দ হবে না।আমরা কিন্তু প্রথমেই ভয় পাই। এই ভয়কে প্রথমে জয় করতে হবে। আর একটু যদি বলি , আমরা যখন কোন পরিক্ষার হলে প্রবেশ করি, প্রথমেই খুব হতাশ হয়ে পড়ি।ভাবি, কি জানি কি হবে, আমি মনে হয় পরিক্ষায় ভাল করতে পারব না।নেতিবাচক চিন্তা-ভাবনা আমাদের ঘিরে রাখে। এই রকম চিন্তা-ভাবনা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ভয়কে জয় করতে হবে। তাহলেই আমরা নিজেরাই নিজেদের মোটিভেশনাল হয়ে উঠতে পারব।
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
সূচিশিল্প নিয়ে যত কথা ঐতিহাসিক সতীশচন্দ্র মিএের “যশোর-খুলনার ইতিহাস” গ্রন্থে পাওয়া যায় প্রাচীন বাংলা বস্তশিল্পের সমৃদ্ধ ইতিহাস। পাঠান আমলেই যশোরের বস্তশিল্প সমৃদ্ধ ছিল বলে তিনি এই গ্রন্থে উল্লেখ করেন। সতীশচন্দ্র লিখেন তখনকার সময়েই নারীরা তাদের সুই সুতার ফোঁড়ের মাধ্যমে অন্য দেশকে পরাজিত করিয়া যশোলাভ করিতেন। মানুষের সাথে যেমন মানুষের ঘনিষ্ট সর্ম্পক রয়েছে ,তেমনি রয়েছে প্রেম-ভালোবাসা, সুখ-দুঃখ ও হাসি-কান্নার এক বিচিএ সমাহার। মানুষকে কেন্দ্র করেই যেমন সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে । আগের যৌথ পরিবার গুলো মিলেমিশে এক সাথে কাজ করাটাকে খুব বেশি আনন্দের মনে করত। বর্তমানে মানুষের অভাব-অনটনের কারনে যৌথ পরিবার গুলো ভেঙে একক পরিবারে পরিনত হয়েছে। হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রাম-বাংলার সেই গ্রামীণ ঐতিহ্য। দুর্বল হয়ে পড়েছে সামাজিক সংস্কৃতির ঐতিহ্য। বর্তমান সময়ে যদি জামা-কাপড়ে দেখি সুই সুতার ফোঁড় তাহলেই যেন মনের মধ্যে অজান্তেই ভেসে উঠে সেই গ্রামীণ চিএ। তখন অন্য রকম একটা ভালো লাগা কাজ করে।
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
আমরা ছোট বেলায় কত কিছু পড়েছি ,পড়েছি মজার মজার গল্প, মজার মজার সব ছড়া এছাড়াও পড়েছি আদেশ-নির্দেশক ছোট ছোট অনেক বাক্য।যা থেকে আমরা শিখেছি জেনেছি অনেক কিছু।আর কিছু কিছু প্রবাদ ত আমাদের পাঠ্য বইয়ের পিছনেই থাকত এই রকম প্রবাদ যেমন –“ ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়” আজ কিছু কথা না হয় এটা নিয়েই বলি। ধরুন আপনি আপনাকেই মোটিভেটেড করার জন্য পরিকল্পনা করলেন সেটা বাস্তবায়ন করার জন্য আপনাকে প্রথমে কি করতে হবে আপনি কি করবেন আগে সেটা ঠিক করতে হবে । তার পর সেটা অর্জন করার জন্য তীব্র ইচ্ছা আপনার থাকতে হবে। শুধু ইচ্ছা থাকলেই কিন্তু আপনার হবে না, সেই ইচ্ছা শক্তিকে বাস্তবায়ন করার জন্য তিনটা জিনিস আপনাকে মেনে চলতে হবে তাহলে আপনি নিজের হয়ে উঠতে পারবেন নিজের মোটিভেশনাল স্পিকার,আত্নবিশ্বাসী,মনোযোগি এবং আপনার সুষ্ঠু দিক নির্দেশক। সত্যিকার অর্থে ইচ্ছা থাকলেও যদি আপনার সঠিক পরিকল্পনা না থাকে তাহলে আপনি সাফল্য অর্জন করতে পারবেন না।
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
সূচিশিল্প নিয়ে যত কথা নব্য প্রস্তর যুগে সূচিশিল্পের বিকাশ ঘটেছিল বলে ধারনা করেন গবেষকরা। নৃবিজ্ঞানীদের মতে , তুলা থেকে সুতা বানানো এবং তাতঁ যন্ত্রে কাপড় তৈরী করতে শেখার আগেই চামড়া সেলাই করার শিক্ষা রপ্ত করেছিল এশিয়া ও ইউরোপের পাথর যুগের মানুষ। তখন থেকেই তারা বিভিন্ন পশুর চামড়া সেলাই করে পরিধান করত। এই চামড়া মূলত সেলাই করা হত বিভিন্ন ধরণের হাঁড় ও হাতির দাঁত থেকে বানানো সুঁচের মাধ্যমে। আর পরিপাকতন্ত্রের নাড়ি ,ধ্মনী বা শিরা দিয়ে সুতার কাজ করত। খ্রিষ্টপূর্ব ৩ হাজার বছর থেকে ১ম ও ২য় শতকে হরপ্পা ও মহেঞ্জো-দাড়ো সাঁচীর ভাস্কর্যে যেসব পোশাক পাওয়া যায় তাতে সূচিশিল্পকলার নিদর্শন রয়েছে। এছাড়াও মিশর, গ্রিস, ইসরাইল,ব্যাবিলন প্রভৃতি দেশেও সূচিশিল্পের নিদর্শন পাওয়া যায়। মানব সভ্যতার উন্নতির সাথে সাথে সূচিশিল্পের উন্নয়ন ঘটতে শুরু করে। আস্তে আস্তে মানুষ তুলা ও অন্যান্য তন্তু থেকে সুতা ও ধাতব সুই তৈরী করতে শিখে। ভারতীয় উপমহাদেশের সিন্ধু সভ্যতার বিভিন্ন প্রতিস্থান থেকে ধাতব সুচের অস্তিত্ব আবিষ্কার করা হয়েছে বলে ধারনা করা হয়। প্রাচীন ভারতীয় পুরাণ ও সাহিত্যে এবং বিভিন্ন ল...
সূচিশিল্প নিয়ে যত কথা
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
লোকসংস্কৃতিতে সূচিশিল্পের প্রাচীন নির্দশন হিসেবে কাঁথাশিল্প উল্লেখযোগ্য। বঙ্গনারী শিল্পকলা শুধু কাঁথাশিল্পেই সীমাবদ্ধ নয়। এই শিল্প ছাড়াও হাতের রুমাল, ওড়নায়ও সৌখিনতার বশে বঙ্গনারীরা তাদের সুখ-দুঃখ ফুটিয়ে তুলত অবলীলায়।ভৌগলিক দৃষ্টিকোণ থেকে যদি ব্যাখ্যা করা যায় তাহলে বলা যায় প্রাকৃতিক ও রাজনৈতিক ভুখন্ডের অর্ন্তগত পর্বত ও তার পাদদেশে মালভূমি, উপত্যকা,সমভূমি ব-দ্বীপ এবং অন্যান্য ভূমি গঠনের মাধ্যমে বাংলা সংস্কৃতি ,এর কলা, নিজভাষা, নিজধর্ম এবং বিভিন্ন গ্রন্থের প্রভাব পরিলক্ষিত হয় এই শিল্পের মাধ্যমে। বর্তমান যুগে এই সূচিশিল্প ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে। এই শিল্প দেশীয় ঐতিহ্য রক্ষার পাশাপাশি আর্ন্তজাতিক অঙ্গনেও বেশ সুনাম অর্জন করছে। হাতের কাজের জামা, পাঞ্জাবী ও বাচ্ছাদের ড্রেসে আরো বেশী আকর্শনীয় হয়ে উঠেছে বর্তমান সময়ে। আমি সাইয়্যেদাতুনেছা নিপা কিশোরগঞ্জের মেয়ে কাজ করছি হাতের কাজের বিভিন্ন ডিজাইনের ওয়ান-পিস,থ্রি-পিস ও বাচ্ছাদের পোশাক নিয়ে