সূচিশিল্প নিয়ে যত কথা

 

নব্য প্রস্তর যুগে সূচিশিল্পের বিকাশ ঘটেছিল বলে ধারনা করেন গবেষকরা।

নৃবিজ্ঞানীদের মতে , তুলা থেকে সুতা বানানো এবং তাতঁ যন্ত্রে কাপড় তৈরী করতে শেখার আগেই চামড়া সেলাই করার শিক্ষা রপ্ত করেছিল এশিয়া ও ইউরোপের পাথর যুগের মানুষ।

তখন থেকেই তারা বিভিন্ন পশুর চামড়া সেলাই করে পরিধান করত।  এই চামড়া মূলত সেলাই করা হত বিভিন্ন ধরণের হাঁড় ও হাতির দাঁত থেকে বানানো সুঁচের মাধ্যমে। আর পরিপাকতন্ত্রের নাড়ি ,ধ্মনী বা শিরা দিয়ে সুতার কাজ করত। খ্রিষ্টপূর্ব ৩ হাজার বছর থেকে ১ম ও ২য় শতকে হরপ্পা ও মহেঞ্জো-দাড়ো সাঁচীর ভাস্কর্যে যেসব পোশাক পাওয়া যায় তাতে সূচিশিল্পকলার নিদর্শন রয়েছে।

এছাড়াও মিশর, গ্রিস, ইসরাইল,ব্যাবিলন প্রভৃতি দেশেও সূচিশিল্পের নিদর্শন পাওয়া যায়।

মানব সভ্যতার উন্নতির সাথে সাথে সূচিশিল্পের উন্নয়ন ঘটতে শুরু করে। আস্তে আস্তে মানুষ তুলা ও অন্যান্য তন্তু থেকে সুতা ও ধাতব সুই তৈরী করতে শিখে।

ভারতীয় উপমহাদেশের সিন্ধু সভ্যতার বিভিন্ন প্রতিস্থান থেকে ধাতব সুচের অস্তিত্ব আবিষ্কার করা হয়েছে বলে ধারনা করা হয়।

প্রাচীন ভারতীয় পুরাণ ও সাহিত্যে এবং বিভিন্ন লোককথায় এই শিল্পের কথা জানা যায়। ঊনিশ শতকে সেলাই মেশিন উদ্ভাবনের মাধ্যমে সূচিশিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটে।

আমি সাইয়্যেদাতুনেছা নিপা কিশোরগঞ্জের মেয়ে কাজ করছি হাতের কাজের বিভিন্ন ডিজাইনের ওয়ান-পিস,থ্রি-পিস ও বাচ্ছাদের পোশাক নিয়ে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সূচিশিল্প নিয়ে যত কথা