সূচিশিল্প
নিয়ে যত কথা
ঐতিহাসিক
সতীশচন্দ্র মিএের “যশোর-খুলনার ইতিহাস” গ্রন্থে পাওয়া যায় প্রাচীন বাংলা বস্তশিল্পের
সমৃদ্ধ ইতিহাস। পাঠান আমলেই যশোরের বস্তশিল্প সমৃদ্ধ ছিল বলে তিনি এই গ্রন্থে উল্লেখ
করেন।
সতীশচন্দ্র
লিখেন তখনকার সময়েই নারীরা তাদের সুই সুতার ফোঁড়ের মাধ্যমে অন্য দেশকে পরাজিত করিয়া
যশোলাভ করিতেন।
মানুষের সাথে
যেমন মানুষের ঘনিষ্ট সর্ম্পক রয়েছে ,তেমনি রয়েছে প্রেম-ভালোবাসা, সুখ-দুঃখ ও হাসি-কান্নার
এক বিচিএ সমাহার। মানুষকে কেন্দ্র করেই যেমন সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে । আগের যৌথ পরিবার
গুলো মিলেমিশে এক সাথে কাজ করাটাকে খুব বেশি আনন্দের মনে করত।
বর্তমানে
মানুষের অভাব-অনটনের কারনে যৌথ পরিবার গুলো ভেঙে একক পরিবারে পরিনত হয়েছে। হারিয়ে যেতে
বসেছে গ্রাম-বাংলার সেই গ্রামীণ ঐতিহ্য। দুর্বল হয়ে পড়েছে সামাজিক সংস্কৃতির ঐতিহ্য।
বর্তমান সময়ে
যদি জামা-কাপড়ে দেখি সুই সুতার ফোঁড় তাহলেই যেন মনের মধ্যে অজান্তেই ভেসে উঠে সেই গ্রামীণ
চিএ। তখন অন্য রকম একটা ভালো লাগা কাজ করে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন